শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর

বাংলাদেশ

দেশের বেশির ভাগ স্থানে (১৬ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবারের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত আছে। গতকালের চেয়ে দু–এক স্থানে কমেছে, তবে বেশির ভাগ স্থানে প্রায় একই রকম আছে। এর মধ্যে রাজধানীর তাপমাত্রা খানিকটা কমেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকাল শুক্রবারও তাপমাত্রা এমনই থাকবে। তবে শনিবারের পর তাপমাত্রা আবার কমতে পারে। সে সময় শৈত্যপ্রবাহও শুরু হতে পারে।

আজ রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল এ তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর গতকাল ওই একই স্থানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

যেসব অঞ্চলে শীত বেশি থাকে, সেই অঞ্চলগুলোতে আজ তাপমাত্রার তেমন হেরফের হয়নি ততটা। এর মধ্যে আজ চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সেখানে তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীমঙ্গলে আজ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সেখানে তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের যে এলাকায় বেশি শীত পড়ে তার মধ্যে একটি হলো কুড়িগ্রামের রাজারহাট। সেখানে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গতকাল তা ছিল ১১ দশমিক ৩।

তাপমাত্রা আগামীকালও মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে, এমনটাই জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা। তিনি আজ প্রথম আলোকে বলেন, তবে শনিবারের পর বা রোববার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে। সেই সময় মৃদু থেকে মাঝারি আকারের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে। ওই সময় দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা কম থাকতে পারে।

রোববার থেকে শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, শনিবারের পর থেকে তাপমাত্রা কমে যাবে সেটা একপ্রকার নিশ্চিত। তবে শৈত্যপ্রবাহ হবে কি না, তা নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে। তাপমাত্রা কমে আসতে শুরু করলে তা মৃদু বা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের দিকে চলে যেতে পারে।

কোনো এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *