পাকিস্তান সিরিজে পাওয়া যাবে তারকা ক্রিকেটারদের

খেলা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর লম্বা সময়ের বিরতি। পাকিস্তানে টেস্ট সিরিজের আগে নেই কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এ জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলতে ক্রিকেটারদের ছাড়পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই তালিকায় রয়েছেন সাকিব আল হাসানও।

খেলছেন কানাডার গ্লোবাল প্রিমিয়ার লিগে। ফলে চট্টগ্রামে চলা টেস্ট স্কোয়াডের সম্ভাব্য ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে অংশ নিতে পারছেন না তিনি। এরপরও তাকে স্কোয়াডে রেখেই সাজানো হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পরিকল্পনা।

বুধবার (৩১ জুলাই) বিসিবির কার্যালয়ে গণমাধ্যমে মুখোমুখি হন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস জানান আসন্ন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সাকিবসহ তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেনকেও পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাকিব প্রসঙ্গে জালাল ইউনুস বলেন, ‘সে টেস্টে অ্যাভেইলেবল (পাওয়া যাবে)। আমার সঙ্গে, বোর্ডের সঙ্গে, নির্বাচকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। সময় যদি না থাকে, সে হয়তো দুবাই থেকে সরাসরি (পাকিস্তানে) চলে যাবে। অথবা তাকে বলা হয়েছে ঢাকায় এসে দলের সঙ্গে দু-এক দিন অনুশীলন করে একসঙ্গে যাওয়ার জন্য। ওকে (সাকিব) পাকিস্তান সিরিজে পাওয়া যাবে।’

চলতি বছর মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলেন তাসকিন আহমদে। এরপর টেস্ট সিরিজে নিজের অনাগ্রহের কথা জানিয়ে ছিলেন ডানহাতি এ ফাস্ট বোলার। তবে ইতিবাচক খবর হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তাকে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান তাসকিনের বিষয়ে বলেন, ‘তাসকিনের কালকে (মঙ্গলবার) একটা মূল্যায়ন ছিল। ওটা হয়ে গেছে। ওকে (তাসকিন) বিবেচনা করা হচ্ছে লাল বলের জন্য। এটা নির্বাচকদেরই সিদ্ধান্ত। যখন দল দেবে, তখন আপনারা বুঝতে পারবেন।’

ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ইবাদত হোসেন। এই ফাস্ট বোলারের বিষয়ে আশাবাদী বিসিবি, ‘ইবাদত এখনো রিকভার করছে। আমাদের কাছে সর্বশেষ খবর হচ্ছে, তার সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। সে ৭০ শতাংশের মতো সুস্থ হয়ে উঠেছে। আশা করি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আরও কিছু উন্নতি করবে। এখনো পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার মধ্যেই আছে। রিকভার করুক। তারপর দেখা যাবে।’

আগামী মাসের শেষ দিকে পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। সেখানে স্বাগতিকদের সঙ্গে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। ২১-২৫ আগস্ট রাওয়ালপিন্ডিতে হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। আর ৩০ আগস্ট করাচিতে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

আইসিসির টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় সিরিজটি দুদলের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *